বার্সা-জুভেন্টাস আগুনে লড়াই বুধবার
২৭ অক্টোবর, ২০২০ ২০:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+
ক্রীড়া ডেস্ক
 
গেল কয়েকটি মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা লড়াই থেকে আগে-ভাগেই ছিটকে পড়ে বার্সেলোনা। যে কারণে কাতালানার আর্নেস্তো ভালভার্দে ও কিকে সেতিয়েনের মতো কোচদের বিদায় করতে একটুও পিছ পা হয়নি। তাই চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে নোদারল্যান্ডেসর সফল কোচ রোনাল্ড কোম্যানকে ন্যু ক্যাম্পে এনেছে। যা ফল হিসেবে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বার্সা। কিন্তু বুধবার রাতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাসের মুখোমুখি হবে কাতালানরা। তবে রোনালদো খেলতে পারবেন কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে করোনা টেস্টের ফল নেগেটিভ এলেই মেসির বিপক্ষে নামতে পারবেন তিনি। তা না হলে ৮ই ডিসেম্বর ন্যু ক্যাম্পের ফিরতি লেগের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে ভক্তদের।
 
জুভেন্টাসের হয়ে সিরি’আতে প্রথম দুই ম্যাচে তিন গোল করেছিলেন রোনালদো। তারপর আন্তর্জাতিক ডিউটি পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হন করোনায়। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটি তার দখলে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের জার্সিতে মোট ১৩০ গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে জুভেদের হয়ে তার গোল ১০টি। অন্যদিকে, বার্সেলোনার জার্সিতে ১১৬ গোল নিয়ে সর্বাধিক গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেসি। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ে ২২ গোল নিয়ে এগিয়ে তিনি। রোনালদো করেছেন ১৯ গোল। রোনালদোর বিপক্ষে জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে মেসি। ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা ৩৫ দেখায় কুড়ান ১৬ জয়। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদোর জয় ১০টি, ড্র হয়েছে ৯টি ম্যাচ।
 
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ইতোপূর্বে পাঁচবার মুখোমুখি হন মেসি- রোনালদো। সবশেষ ২০১১’র সেমিফাইনালে। সেবার রোনালদোর রিয়ালকে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ গোলে হারায় মেসির বার্সেলোনা। প্রথম লেগে জোড়া গোল করেছিলেন মেসি। এর আগে ২০০৯-এ রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো ইউরোপসেরার খেতাব জেতে বার্সেলোনা। ওই ম্যাচেও একটি গোল করেছিলেন মেসি। চলতি মৌসুমটা খুব একটা ভালো কাটছে না ৩৩ বছর বয়সি এই আর্জেন্টাইনের। ৬ ম্যাচে করেছেন ২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট। তবে দুটি গোলই পেনাল্টি থেকে। গত রোববার এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ব্যর্থ হন মেসি। ম্যাচে ৩-১ গোলে পরাজিত হয় বার্সেলোনা।
জুভেন্টাসের মাঠে বার্সার সম্প্রতিক রেকর্ড ভালো নয়। তুরিনে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ৬ ম্যাচে জয় দেখেনি কাতালান জায়ান্টরা (৩ হার, ৩ ড্র)। জুভেন্টাসের নতুন কোচ আন্দ্রে পিরলো চলতি মৌসুমে অপরাজিত।
 
বার্সেলোনাকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিতে চাইবেন তিনি। ২০১৫ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালটাই ছিল জুভেন্টাসের জার্সিতে ‘খেলোয়াড়’ পিরলোর শেষ ম্যাচ। ওই ম্যাচে বার্সেলোনার কাছে হেরে রানার্সআপ হয় জুভেন্টাস। ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় শিরোপার জয়ের পর সাত-সাতবার  চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠে ব্যর্থ হয়েছে ইতালিয়ান জায়ান্টরা। তবে এবার সেই আক্ষেপ ঘোঁচাতে মরিয়া জুভেন্টাস।

সর্বশেষ সংবাদ

খেলাধুলা এর অারো খবর

Copyright JaiJaiDin ©2020

Design and developed by Orangebd