‘নো হেলমেট নো বাইক, সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ’ দেশব্যাপী প্রচারণায় দু’বন্ধু
০৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৫৯
প্রিন্টঅ-অ+
স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা
‘নো হেলমেট নো বাইক, সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ’  স্লোগান সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা থেকে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে নেমেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া দুই বন্ধু। মোটরসাইকেল  চালকের পাশাপাশি আরোহীকে হেলমেট পরার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাদের এই অভিযান।
 
দুই বন্ধুর একজন চুয়াডাঙ্গা শহরের মল্লিকপাড়ার বাসিন্দা সাংবাদিক শাহ আলম সনির বড় ছেলে মাহমুদ আল জান্নাত ওরফে আগুন। অন্যজন আলোকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের ছেলে সজিব হাসান সাজ। আগুন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। আর সাজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্র। করোনাকালীন ছুটি ইতিবাচক কাজে লাগাতে নো হেলমেট নো বাইক, সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ কর্মসূচি নিয়েছেন তারা ।
 
বুধবার সকাল সাতটায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে তারা এই সচেতনতামূলক মোটরসাইকেল যাত্রা শুরু করে।
দেশব্যাপী সচেতনতামূলক এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে মাহমুদ আল জান্নাত বলেন, সজিব হাসান আমার শৈশবকালীন বন্ধু। আমরা একই স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করেছি। করোনাকালীন বাড়িতে টানা ছয় মাসেরও বেশি সময় বাড়িতে থাকায় একঘেয়েমি পেয়ে বসেছিল। সর্বশেষ অক্টোবর মাসকেও সরকার ছুটি ঘোষণা করায় দুই বন্ধু ভালো কিছু করার জন্য আলোচনা করে এই প্রচারাভিযানে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
 
মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে মোটরসাইকেলের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। একইভাবে দুর্ঘটনার হারও বেড়ে চলেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী শুধু হেলমেট ব্যবহার না করায় দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের বেশির ভাগই হতাহত হচ্ছেন। অথচ একটু সচেতন হলে তা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
 
সুরক্ষা সরঞ্জাম পরে ও ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালানোর প্রবণতা ইদানীং দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সম্প্রতি ট্রাফিক পুলিশের কড়াকড়িতে অনেকেই হেলমেট ব্যবহার করছেন। তারপরও মোটরসাইকেল চালকদের অনেকেই হেলমেট ব্যবহার করছেন না। আবার অনেক মোটরসাইকেল চালক নিজে হেলমেট ব্যবহার করলেও সহযাত্রীর মাথায় হেলমেট দেখা যাচ্ছে না। হেলমেট ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই দু’বন্ধুর দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইন।
 
‘নিরাপদ সড়ক চাই’ চুয়াডাঙ্গা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়য়া দুই বন্ধুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডবিøউএইচও)’র তথ্যানুসারে হেলমেটের ব্যবহার দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমাতে পারে এবং মারাত্মক হতাহতের ঝুঁকি কমায় ৭০ শতাংশ। তাই চালকের পাশাপাশি আরোহীদেরও হেলমেট পরা জরুরি।

সর্বশেষ সংবাদ

ভ্রমণ এর অারো খবর

Copyright JaiJaiDin ©2020

Design and developed by Orangebd